বাংলাদেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড এবং আমাদের করনীয়।
- Jul 3, 2021
- 1 min read
করোনার ডেল্টা ভেরিয়েন্টের কথা আমরা ইতোমধ্যে সবাই জেনে গিয়েছি। বাংলাদেশেও এখন এই ডেল্টা ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। করোনা ভাইরাসের ৪টি ভেরিয়েন্টের মধ্যে ডেল্টা ভেরিয়েন্ট সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে। এই ডেল্টা ভাইরাস করোনার বাকি ভেরিয়েন্ট গুলো থেকে খুব দ্রুত ছড়ায়। আমাদের এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে।
ইতোমধ্যে সারাদেশে লকডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে শুধু লকডাউনেই কাজ হয়ে যাবে এই আশা নিয়ে বসে থাকাটা বোকামি, আমাদের নিজ নিজ যায়গা থেকে সতর্ক হতে হবে।
পুরোনো উপদেশগুলো আবারও একটু স্মরণ করা যাকঃ
১. যেসব স্থানে অনেক মানুষ হাত রাখতে পারে যেমন টাকা, রিক্সার স্ট্যান্ড, শিড়ির রেলিং ইত্যাদি স্থানে হাত দেয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব সেনিটাইজড হতে হবে।
২. সাথে একটি সেনিটাইজার বা স্প্রে রাখা যেতে পারে।
৩. কাপড়ের মাস্ক না পড়ে সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করা অধিক নিরাপদ।
৪. আপাতত কিছুদিন যত্রতত্র আড্ডা না দেয়াই উত্তম। বন্ধুদের খুব বেশি মিস করলে জুম অথবা মেসেঞ্জার কল তো আছেই।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বলে অনেকে করোনার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছেন। তাই দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া আবশ্যক।
সবশেষে, ব্যাক্তিগতভাবে আমার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে হতাসা৷ দীর্ঘ লকডাউনে বাসায় একা সময়গুলো কাটাতে গিয়ে অনেকেই হতাশার স্বীকার হচ্ছি। আবার অনেকের মাঝে সুইসাইডার টেন্ডেন্সি দেখা দিতে পারে। এই সমস্যাগুলো সমাধানে আমাদের চিন্তাধারার পরিবর্তন প্রয়োজন।
লকডাউনগুলোকে আমরা বাধা হিসেবে না নিয়ে সুযোগ হিসেবে নিতে পারি। এই সময়ে আমরা বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারি, ইউটিউব থেকে অনেক ফ্রি কোর্স করে ফেলতে পারি, নতুক স্কিল ডেভেলপ করতে পারি, পরিবারের সাথে সময় দিয়ে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি করতে পারি৷
সুতরাং হতাশ না হয়ে চলুন কাজে নেমে পরি। নিজে ভালো থাকি অন্যদেরও ভালো থাকতে সহায়তা করি।





Comments