কিভাবে আমি সম্পূর্ণ নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেললাম- How did I create a free website
- Jul 3, 2021
- 2 min read
জীবনের প্রথম একটি ওয়েবসাইট খুলে ফেললাম। তাও আবার নিজে নিজে। অনেক কনফিউশান ছিল যে আসলে কোন সাইট দিয়ে খুললে ভালো হয়। যেহেতু এক এক জেনারেশনের জন্য এক এক ওয়েবসাইট ভালো যেমনঃ blogging এর জন্য wordpress ভালো, বিজনেসের জন্য বলে wix ভালো আবার কেউ কেউ বলে squire space সবচেয়ে ভালো। সে যাই হোক, গুগলে সার্চ দেয়ার পর অধিকাংশ ওয়েবসাইট Wix কে রিকমেন্ড করলো। গুগলকে বিশ্বাস করে কখনো নিরাশ হইনি, তাই শেষ পর্যন্ত Wix.com থেকেই এই ওয়েবসাইটটি তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

ইউটিউবে সার্চ দিলাম কিভাবে wix দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়। প্রথমে ভেবেছিলাম বাংলা কোনো টিউটোরিয়াল হলে ভালো হয় কিন্তু মান সম্পন্ন কোনো টিউটোরিয়াল আমার চোখে পরলো না। অবশেষে প্রায় ১ ঘণ্টা সময়ের একটি ইংলিশ টিউটোরিয়াল পেলাম আর কাজে লেগে পরলাম।
গতকাল রাত ১২ টা থেকে ওয়েবসাইট তৈরির টিউটোরিয়াল দেখা শুরু করলাম। ভাইয়া পাশের রুমে বসে খেলা দেখছিল। ইউরো ২০২১ স্পেস আর সুইজারল্যান্ডের খেলা চলছিল। স্পেন টামইব্রেকারে ৩-১ গোলে জয় লাভ করে। কিন্তু আমার এত কিছু দেখার সময় নেই। আমার তো আবার ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। প্রথমে আমার ফেসবুক কে wix এর সাথে কানেক্ট করলাম। তারা আমার ফেসবুকের নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটা ফ্রি ডোমেইন দিল। ফ্রি ডোমেন থেকে পেইড ডোমেন অনেক ভালো কিন্তু আমার তো ক্রেডিট কার্ডই এই। এটা অনেক বড় একটা সমস্যা। এই ক্রেডিট কার্ড না থাকার কারণে অনলাইনে ভালো কোনো কোর্সও করা যাচ্ছে না। যাইহোক, ফ্রি ওয়েবসাইটও একদম খারাপ না। ভবিষ্যতে ট্রাফিক বা লোকজনের আনাগোনা বাড়লে একটা পেইড ডোমেইন লাগিয়ে নিব, বাকিগুলোর মত wix এ ও যেকোনো সময় পেইড ডোমেইন লাগানোর ব্যাবস্থা আছে। এরপর আরো কিছুক্ষন ভিডিও দেখলাম। wix এর সেটিংস সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নিলাম। এরপর নিজের মত করে পুরো ওয়েবসাইটকে একটু সাজিয়ে নিলাম।
vlog vs blog
আমি যে বিষয়ে বা যে কাজের জন্য ওয়েবসাইট বানাচ্ছি তা হলো ব্লগিং। তাই ব্লগিং এর উপযোগী করে পুরো ওয়েবসাইটি সাজালাম আর আমার ইউটিউব ও ফেসবুকের লিংটা উপরে এড করে দিলাম। ব্লগিং (blog) আর ভ্লগিং (vlog) এর মধ্যে কিন্তু পার্থক্য আছে। bloging হলো ওয়েবসাইটে লেখালেখি করা, কোন বিষয়ে আপনার যদি আগ্রহ থাকে তাহলে সেটা নিয়ে আমার মত এখনই একটা ওয়েবসাইট খুলে লেখালেখি শুরু করে দিন। এক দুই বছর কাজ করলে ভালো আয়ের সুযোগ তৈরি হব। আর vlogging হলো আপনার সারাদিনের কাজ গুলো ভিডিওতে ধারণ করে তা ইউটিউবে বা অন্যকোনো যায়গায় ছেড়ে দেয়া। আমাদের দেশে অনেকেই আছে যারা নিয়মিত ভ্লগিং করে ইউটিউবে ছেড়ে দেয়। এটাও ভবিষ্যতে গিয়ে ভালো একটা আয়ের উৎস হতে পারে। আপনার যেদিকে আগ্রহ বেশি সেদিকেই যাওয়া উচিত।





Comments