top of page
Search

The brief history of Taliban

  • Aug 31, 2021
  • 5 min read

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা তাদের সৈন্য ফিরিয়ে নেয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তালিবানরা পুরো আফগানিস্তানের ক্ষমতা নিয়ে নেয়। আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে শুরু করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখল করে ফেলেছে। আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দেশ ছেড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

আসলে কারা এই তালেবান? কেন সেদেশের মানুষ তাদের এত ভয় পায়? আমেরিকানরা কেন আফগানিস্তানে তাদের সৈন্য মোতায়েন করেছিল? উসামা বিন লাদেন কিভাবে এগুলোর মধ্যে জড়িত? চলুন এ আজ বিষয়গুলো জেনে নেয়া যাক।


কোল্ড ওয়ার:

তালেবানদের উৎপত্তি বিষয়ে জানতে হলে আমাদের আগে কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ু যুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) পৃথিবীর নতুন দুই পরা শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয়। আমেরিকা তখন ছিল ক্যাপিটালিস্ট (পুঁজিবাদী) রাষ্ট্র আর সোভিয়েট ইউনিয়ন ছিল কমিউনিস্ট (সাম্যবাদী) রাষ্ট্র। এই দুই রাষ্ট্রই পৃথিবীর অন্যান্য রাষ্ট্রে তাদের নিজেদের মতাদর্শ প্রচার করছিল। অর্থাৎ, আমেরিকা চাচ্ছিল পৃথিবীর সকল দেশ গুলো ক্যাপিটালিস্ট হয়ে যাক আর সোভিয়েত ইউনিয়ন চাচ্ছিল এর ঠিক উলটো। তখন তাদের মধ্যে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ মনোভাব কাজ করছিল। পৃথিবী ব্যাপী তখন একটা থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। মনে হচ্ছিল যেন যেকোনো সময় এই দুটি দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পরবে। এই পরিস্থিতিকেই বলা হয় কোল্ড ওয়ার।


আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন:

ভৌগলিক দিক দিয়ে আফগানিস্তান ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের অনেক কাছের একটি দেশ। তাই আফগানিস্তান প্রথমে কমিউনিস্ট মতাদর্শ নিয়ে এগিয়ে যায়। কিন্তু কমিউনিস্ট মতাদর্শে ধর্মের কোনো স্থান ছিল না আর আফগানিস্তানের বড় একটি জনগোষ্ঠী ছিল মুসলিম। তৎকালীন কমিউনিস্ট সরকার এই মুসলিমদের উপর বিভিন্ন ভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে থাকে। স্কুল শিক্ষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ যারাই সেখানে ধর্ম চর্চা করতো তাদের সবাইকে তুলে নিয়ে বন্দি করা হতো, দিনের পর দিন অত্যাচার করা হতো।

দেশের এই অবস্থায় আফগানিস্তানের কিছু মুসলিম এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে, তারা তাদের নাম দেয় মুজাহিদিন। দেখতে না দেখতেই সে আন্দোলন যুদ্ধে রূপ নেয়। এ পর্যায়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন দেখলো এভাবে চলতে থাকলে আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকারের পতন ঘটবে। তাই তারা কমিউনিস্ট সরকারকে আর্থিক ও সামরিকভাবে সহায়তা করে। যার ফলে মুজাহিদিনরা এই যুদ্ধে পরাজিত হয়।


আমেরিকার হস্থক্ষেপঃ

মুজাহিদিনদের এই অবস্থা প্রত্যক্ষ করে আমেরিকা ভাবলো,এভাবে চলতে থাকলে অন্যান্য দেশের মত আফগানিস্তানও সোভিয়েত ইউনিয়নের হাতে চলে যাবে। কিছুকাল পূর্বে ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনামও এভাবে আমেরিকা থেকে হাত ছাড়া হয়ে গিয়েছিল। আমেরিকা সেবার সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের হাতে সোচনীয় পরাজয় বরণ করেছিল, যার ফলে আমেরিকার শক্তি প্রশ্নের মূখে পরছিল। আফগানিস্তানে যাতে এমন কিছু না হয় তাই আমেরিকা এই কমিউনিস্ট সরকারের বিরোধী দল মুজাহিদিনদের অস্ত্র সরবরাহ করতে শুরু করে। এখন এই মুজাহিদিনরা আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। আমেরিকার সাহয্যে তাদের হাতে আধুনিক সব অস্ত্রশস্ত্র এসে পরে।


সোভিয়েত ও আমেরিকার চুক্তি:

এ পর্যায়ে এসে আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট সরকার বড় ধরণের একটা ধাক্কা খায়। তারা মুজাহিদিনদের হাতে এ সকল আধুনিক অস্ত্র দেখার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিল না। সোভিয়েত ইউনিয়নও ততদিনে বেশ দুর্বল হয়ে পরেছে। তাই তারা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে আমেরিকার সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী, সোভিয়েতরা আফগানিস্তানের সরকারকে সাহায্য করা বন্ধ করে দিবে বিনিময়ে আমেরিকাও মুজাহিদিনদের অস্ত্র সরবরাহ করা বন্ধ করবে। এর কিছু সময় পর ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নই ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়, তারা আরেক দেশকে কিভাবে সাহয্য করবে?

এতকিছুর পরও আমেরিকা তাদের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করে না। উলটো তারা আফগানিস্তানে এমন সব বই পুস্তক প্রচার করতে থাকে যেখানে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি যুদ্ধের কৌশল নিয়েও লিপিবদ্ধ থাকতো। যা আফগানিস্তানের মানুষকে যুদ্ধের প্রতি আরো বেশি পরিমাণে উদ্ভুদ্ধ করতে পারে। ১৯৯৪ সালে মুজাহিদিনদের নিজেদের মাঝেই যুদ্ধ বেধে যায় এবং তাদের থেকে নতুন আরেকটি দলের উদ্ভব হয়। নতুন এই দলের নাম রাখ হলো ‘তালেবান’।


তালেবান শাসন (১৯৯৬ – ২০০১):

তালিবান হলো একটি পশতুন ভাষার শব্দ যার অর্থ হলো ছাত্র। তালেবান ছিল আসলে মুজাহিদিনদের একটি শাখা। মহাম্মদ ওমর নামের একজন পশতুনি লোক তার ১৫ জন ছাত্র নিয়ে এই তালেবান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

একসময় মুজাহিদিনদের নিজেদের মধ্যেই তখন যুদ্ধ বেধে যায়। মুজাহিদিনরা তখন বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যায়। এই সুযোগে তালেবানরা তাদের তাদের শক্তিবৃদ্ধি করতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৯৬ সালে মুজাহিদিনদের নেতা বোরহানুদ্দিন রাব্বানি কে সরিয়ে নিজেরাই দেশের ক্ষমতা দখল করে নেয়। তালিবানরা ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫ বছর আফগানিস্তান শাসন করে।

প্রথম প্রথম মানুষ তালেবান শাসন নিয়ে বেশ খুশি ছিল। অবশেষে আফগানিস্তান বিদেশী শক্তির হাত থেকে রক্ষা পেল। দীর্ঘদিন পর দেশে শান্তি স্থাপন হলো। তালিবানদের কঠোর নিয়মের ফলে আফগানিস্তানে অপরাধ প্রবণতা অনেক কমে আসছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে তালিবানরা তাদের দেশে এমন সব নিয়মকানুন প্রবর্তন করতে থাকে যা সেদেশের মানুষের জন্য প্রচুর হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।


তালিবানদের নতুন নিয়ম:

তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতায় এসেই সেখানে নতুন নতুন কিছু নিয়ম প্রবর্তন করতে থাকে যার সাথে সেদেশের মানুষ একে বাড়েই অভ্যস্ত ছিল না। যেমনঃ

সিনেমা হল নিষিদ্ধ, টিভি দেখা নিষিদ্ধ, ভিসি আর নিষিদ্ধ, ফুটবল খেলা নিষিদ্ধ, ঘুড়ি উড়ানো নিষিদ্ধ, দাবা খেলা নিষিদ্ধ, আর্ট করা নিষিদ্ধ, ইন্টারনেট ব্যাবহার করা নিষিদ্ধ, বিদেশিদের এই দেশে আসা নিষিদ্ধ, এন জি ও, জাতিসংঘের অফিসগুলো নিষিদ্ধ, মহিলাদের একা বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ, ১০ বছরের বড় কোনো মেয়ের স্কুলে যাওয়া করা হয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী মেয়েদের জন্য বোড়কা পড়া এবং পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়। বাইরের দেশ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য আসলে সেটা নিষেধ করে দেয়া হতো।

সেসময় অনেক মুসলিমরাই ছিল যারা তালেবানদের এ সকল নিয়মের সাথে একমত ছিল না, তাদেরকেও অনেক অত্যাচার করা হতো। সেদেশে যারা হিন্দু ও খ্রিস্টান ছিল তাদের উপরও অনেক অত্যাচার করা হতো। তাদের ইত্যাদি নিয়ম প্রচলনের কারণে তখন তালেবানরা বিশ্বব্যাপী প্রচুর সমালোচিত হয়েছিল।


আল কায়দা এবং ৯/১১:

আফগানিস্তানের যখন এই অবস্থা তখন সৌদি আরবে আল কায়দা নামের নতুন একটি জঙ্গী গোষ্ঠী জন্ম নেয়। আল কায়দার নেতৃত্ব দিয়েছিল ‘ওসামা বিন লাদেন’। তারা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বিখ্যাত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হামলা চালায়। সে হামলায় আমেরিকার অনেক মানুষ মারা যায়। ইতিহাসে এই ঘটনা 9/11 নামে পরিচিত। আল কায়দার দাবী আমেরিকানরা মুসলমানদের যে ক্ষতি করেছে এটা ছিল তার প্রতিশোধ। এরপর এই আল কায়দা কে আশ্রয় প্রদান করে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার।

কিন্তু এখন আমেরিকাও তো 9/11 এর প্রতিশোধ নিতে চাইবে তাইনা? তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিল জর্জ ডব্লিউ বুশ। তার নেতৃত্বে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারা আল কায়দাকে লক্ষ করে সেদেশের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় আফগানিস্তানের অনেক সাধারণ মানুষও মারা যায়। এদিকে আফগানিস্তানে মুজাহিদিনদের নতুন আরেকটু দল তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জড়িয় পরে। আমেরিকার সৈন্যরা সেই মুজাহিদিনদের সহায়তায় তালেবানদের জোড়পুর্বক পরাজিত করে পুনরায় আফগানিস্তানের দখল নিয়ে নেয়। এবং এভাবেই শেষ পর্যন্ত ২০০১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের ইতি ঘটে।


২০ বছরব্যাপী যুদ্ধ:

তালেবানরা দেশের ক্ষমতা হারালেও তারা কিন্তু একেবারে শেষ হয়ে যায় না। আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে তারা আবার শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকে। ২০০১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই দীর্ঘ দুই দশক ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে তালেবান ও আমেরিকান সৈন্যদের মধ্যে যুদ্ধ চলতে থাকে। এই ২০ বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে।

২০০১ সালে আমেরিকানদের সহায়তায় মুজাহিদিনরা পুনরায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। মুজাহিদিনদের ইচ্ছায় তাদেরই নেতা হামিদ কারজাই কে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় বসানো হয়।

২০০৫ সালে আফগানিস্তানে একটি নির্বাচন হয়। যেই নির্বাচনে আফগানিস্তানের প্রায় ৬০ লাখ মানুষ ভোট দিয়ে অংশগ্রহণ করেছিল যার অর্ধেকই ছিল নারী। এই নির্বাচনকে আফগানিস্তানের সবচেয়ে গনতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে ধরা হয়।

২০০৮ সালে আমেরিকান সেনাদের ভুল আক্রমণের শিকার হয়ে আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে প্রায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে আফগানিস্তানের অনেক মানুষের মধ্যে আমেরিকা বিদ্বেষী মনোভাব তৈরি হতে থাকে।

২০০৯ সালে বারাক ওবামা আমেরিকার ক্ষমতায় আসেন এবং আফগানিস্তানের অবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। আল কায়দাকে পুরোপুরি নির্মুল করার উদ্দ্যেশ্যে তিনি আরো ৩০ হাজার সেনা আফগানিস্তানে প্রেরণ করেন।

২০১১ সালে আল কায়দার নেতা উসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের এক এলাকা থেকে ড্রোণ হামলা করে হত্যা করা হয়। লাদেন হত্যার পর আমেরিকা ধীরে ধীরে তার সৈন্যদের আফগানিস্তান থেকে উঠিয়ে নিতে শুরু করে।

২০১৪ সালে আশরাফ ঘানি আফগানিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি তার বিরোধী দলের প্রধান নেতা আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ এর সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগি করার সিদ্ধান্ত নেন।


অবশেষে শান্তিপূর্ণ আলোচনা:

২০২০ সালে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বপ্রথম তালেবানদের সাথে আলোচনার উদ্যোগ নেয়। আফগানিস্তান থেকে শীঘ্রই আমেরিকা তাদের সৈন্য উঠিয়ে নিতে ইচ্ছুক কারণ এই দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধে আমেরিকারও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারাও এখন যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত।

এ যুদ্ধে আমেরিকার প্রায় ২ হাজার সেনা নিয়ত হয়, আহত হয় ২০ হাজারেরও অধিক। যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সহ তাদের মোট খরচ গিয়ে দাঁড়ায় ২ ট্রিলিয়ন ডলারও বেশি। তাই আমেরিকানরা তালেবান নেতাদের সাথে প্রথম বারের মত একটি শান্তি চুক্তি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। এই চুক্তি অনুযায়ী, তালেবানরা যদি আলকায়দার মত জঙ্গী গোষ্ঠীদের আশ্রয় না দেয় তাবে আমেরিকা তাদের সৈন্য উঠিয়ে নিবে।

২০২১ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের চুক্তি অনুযায়ী কাজ চালাতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালের জুলাই এ আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে তার সকল সেনা প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেয়। এর ঠিক কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তালেবানরা একে বারে বিনা বাধায় সম্পূর্ণ আফগানিস্তান দখল নিয়ে নেয়। এরই মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে প্রায় ২ দশক ধরে চলা এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের।

 
 
 

Comments


14372307_1760888004185917_2115663295210837766_o.jpg

Hi there!

এই লিখাটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই আমাকে জানাতে ভুলবেন না। আপনার মতামত আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো বিষয়ে যোগাযোগ করতে আমার সাথে ফেসবুকে যুক্ত হতে পারেন।

আমার ফেসবুক পেইজঃ Shazid Al Mahmud 

 

 

Let the posts
come to you.

Thanks for submitting!

  • Facebook
  • Instagram
  • Twitter
  • Pinterest

All rights reserved 

bottom of page